International Literacy Day 8 September, 2017

Digital technology has transformed the way we live, learn, work, socialize and grow. Permeating multiple layers of economy and society, digitization has also brought new demands and prospects to the global agenda to advance literacy. While offering new possibilities for literacy teaching and learning, increasing digitization also has the power to undermine the already uneven landscape of literacy progress across countries and populations, leading to worse marginalization of the low-skilled and low-literate. It is therefore time to rethink literacy for a digital world, and to come up with inclusive, equitable and sustainable responses so as to turn the challenges into chances.

The 2017 International Literacy Day 2017, under the theme ‘Literacy in a Digital World’, will take place at UNESCO Headquarters in Paris, France, on 8 September 2017. This international conference will bring together experts, policy-makers and practitioners active in the fields of education, literacy and digital technology from all world regions. By sharing and analysing exemplary policies and practices that leverage digital technologies to promote literacy, participants will examine how the digital age has redefined literacy and explore effective ways to engage digitization in order to support progress towards the literacy targets set out in the Sustainable Development Goals.

Background

The 8th of September was proclaimed International Literacy Day by UNESCO at the 14th session of UNESCO’s General Conference on 26 October 1966 to remind the international community of the importance of literacy for individuals, communities and societies, and the need for intensified efforts towards more literate societies.

The idea of an International Literacy Day was born at the World Conference of Ministers of Education on the Eradication of Illiteracy, held in Teheran, Iran, on 8-19 September 1965.

The Final Report of that Conference concluded:

“The development of the modern world, the accession to independence of a large number of countries, the need for the real emancipation of people and for the increasingly active and productive participation, in the economic, social and political life of human society, of the hundreds of millions of illierate adults still existing in the world, make it essential to change national education policies. Education systems must provide for the educational training needs of both the young generations who have not yet begun working life, and the generations that have already become adult without having had the benefit of the essential minimum of elementary education.

National educational plans should include schooling for children and literacy training for adults as parallel elements.”

Since the first International Literacy Day in 1967, celebrations have taken place annually around the world, coordinated by UNESCO, countries and partners, to advance the literacy agenda at global, regional and national levels.

The UN’s Sustainable Development Goals, adopted by world leaders in September 2015, promotes, as part of its agenda, universal access to quality education and learning opportunities throughout people’s lives. Sustainable Development Goal 4 has as one of its targets ensuring all young people achieve literacy and numeracy and that adults who lack these skills are given the opportunity to acquire them.

History

Over five decades, the concept of literacy has evolved from basic reading, writing and numeracy skills to broader notions such as functional literacy and a foundation for lifelong learning.

2015

  • The Incheon Declaration adopted at the World Education Forum held in Incheon, Republic of Korea, encapsulates the commitment to Education 2030 to provide inclusive and equitable quality education and lifelong learning for all and recognizes the important role of literacy.

2009-2010

  • UNESCO’s sixth conference on adult education in Brazil, CONFINTEA VI, adopts the Belém Framework for Action.
  • The first Global Report on Adult Learning and Education, GRALE I, is launched by UNESCO Institute for Lifelong Learning (UIL) presenting insights on literacy from all world regions.

2003-2012

  • UNESCO takes the lead of the UN Literacy Decade, which envisions Literacy for All actions. The Literacy Initiative for Empowerment (LIFE) is the mechanism to take that action and improve literacy rates all over the world.

2000

  • Dakar Framework for Action is adopted at the World Education Forum in Dakar, Senegal, organized by UNESCO. Literacy is high on the agenda and goals are adopted: to meet the basic learning needs of youth and adults through the functional literacy approach, and to reduce adult literacy rates by 50 per cent.

1997

  • The importance of adult literacy is highlighted during the fifth International Conference on Adult Learning, CONFINTEA V, in Hamburg, Germany, with the outcome document: The Hamburg Declaration on Adult Learning.

1990

  • UN announces this year as International Literacy Year and the critical role of literacy is highlighted at the World Conference on Education for All in Jomtien, Thailand, and in The Framework for Action to Meet Basic Learning Needs adopted by the conference.

1975

  • UNESCO organizes the International Symposium for Literacy and adopts the Persepolis Declaration in Persepolis, Iran, in which literacy is described as a contribution to the liberation of man, instead of being limited to “the process of learning the skills of reading, writing and arithmetic”.

1966

  • General Conference of UNESCO proclaims 8 September as International Literacy Day.

1965

  • World Conference of Ministers on the Eradication of Illiteracy in Tehran, Iran. The concept of functional literacy is introduced with literacy as a means for development and not just an end in itself. The idea of International Literacy Day is born.

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস- বাংলাদেশ এ পালিত 

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০১৭ পালিত হয়েছে আজ (শুক্রবার)। দিবসটিকে কেন্দ্র করে প্রতিবারের মতো এবারও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

‘সাক্ষরতা অর্জন করি, ডিজিটাল বিশ্ব গড়ি’ শ্লোগানকে প্রতিপদ্য করে কেন্দ্রীয়ভাবে এ দিনটি পালনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক এ দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ৯ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শিল্পকাল একাডেমি পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। শোভাযাত্রায় শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৬৫ সালের নভেম্বরের ১৭ তারিখে ইউনেস্কো ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের মধ্যে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও তাৎপর্য তুলে ধরার লক্ষ্যে এ দিবসটি নির্ধারণ করা হয়। ১৯৬৬ সালে বিশ্বে প্রথম আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হয়। প্রতিবছর এ দিবসটি উদযাপনের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন দেশের সাক্ষরতা এবং বয়স্ক শিক্ষার অবস্থা তুলে ধরা হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে প্রথম সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার সাক্ষরতা বিস্তারে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করে আসছে।

সাক্ষরতার সংজ্ঞাঃ

দেশে দেশে সাক্ষরতার সংজ্ঞা অনেক আগে থেকে প্রচলিত থাকলেও ১৯৬৭ সালে ইউনেস্কো প্রথম সাক্ষরতার সংজ্ঞা চিহ্নিত করে এবং পরবর্তী সময়ে প্রতি দশকেই এই সংজ্ঞার রূপ পাল্টেছে।

এক সময় কেউ নাম লিখতে পারলেই তাকে সাক্ষর বলা হতো, কিন্তু বর্তমানে সাক্ষর হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য অন্তত তিনটি শর্ত মানতে হয়। ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে পারবে, সহজ ও ছোট বাক্য লিখতে পারবে এবং দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ হিসাবনিকাশ করতে পারবে। এই প্রত্যেকটি কাজই হবে ব্যক্তির প্রাত্যহিক জীবনের সাথে সম্পর্কিত।

সারা বিশ্বে বর্তমানে এই সংজ্ঞাকে ভিত্তি করে সাক্ষরতার হিসাব-নিকাশ করা হয়। ১৯৯৩ সালে ইউনেস্কো এই সংজ্ঞাটি নির্ধারণ করে; তবে বর্তমানে এটিও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক ফোরাম বা কনফারেন্স থেকে সাক্ষরতার সংজ্ঞা নতুন ভাবে নির্ধারণের কথা বলা হচ্ছে যেখানে সাক্ষরতা সরাসরি ব্যক্তির জীবনযাত্রা পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত হবে।

 

Khulna, Bangladesh:

খুলনাতে আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০১৭ পালিত হয়।
জেলা প্রশাসন, খুলনার আয়োজনে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভাতে ইয়ুথ নেক্সাসের সদস্যরাও অংশগ্রহন করেন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *